দুবাই যেতে কত টাকা লাগে ২০২৪

দুবাই পারস্য সাগরের দক্ষিণ পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে জনবহুল শহর। এছাড়াও এই দুবাই আমিরাতের রাজধানী। এ দুবাইয়ে প্রচুর সংখ্যক কাজের সুযোগ রয়েছে এবং ভ্রমণ করার জন্য আকর্ষণীয় জায়গা রয়েছে। যে কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষ প্রতিনিয়ত এই দুবাই পৌঁছে থাকে।

অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দুবাই অনেক অনেক বেশি শক্তিশালী এবং অনেক বেশি উন্নত। দুবাই অবস্থিত সকল জনসংখ্যার মাত্র ১৫% সংযুক্ত আরব আমিরাত উদ্দিন নাগরিক। এবং বাকি ৮৫ শতাংশ বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের নাগরিক। যারা বর্তমানে প্রবাসী হিসেবে অবস্থান করছেন।

অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে দুবাই কোম্পানি ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে। এবং ন্যূনতম একজন ব্যক্তির কত বয়স লাগে। এছাড়াও ভিসা তৈরি ও বিমান ভাড়া সহ যাবতীয় খরচ দুবাই যেতে কত টাকা লাগে তা বিস্তারিত আজকের আলোচনা উল্লেখ করা হয়েছে। এই পোস্ট একদম শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

দুবাই যেতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশ থেকে দুবাই কোম্পানি ভিসা, কাজের ভিসা, ফ্রি ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, ভিজিট ভিসা সহ আরো বিভিন্ন ধরনের ভিসা পাওয়া যায়। তবে এই ভিসা তৈরি করতে ন্যূনতম তিন লক্ষ টাকা থেকে ৭ লক্ষ টাকা খরচ হয়। তবে দুবাই যেতে আপনার খরচ এজেন্সি এবং দালাল অনুযায়ী আরো বৃদ্ধি পেতে পারে অথবা কম হতে পারে।

সাধারণত এ সকল দেশের জন্য ভিসা প্রসেসের সময় ন্যূনতম ৫০০০ থেকে ১০০০০ এবং ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। এবং কোন এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা তৈরি করলে এই খরচ হয় নয় তার থেকে অনেক বেশি। অর্থাৎ বিমান ভাড়া, ভিসা তৈরি এবং দুবাই পৌঁছানো পর্যন্ত কোন এজেন্সি অথবা দালালেরা করে দিলে ন্যূনতম আপনার খরচ হবে ৫ লক্ষ থেকে ৮ লক্ষ টাকা।

দুবাই ভিসার দাম কত ২০২৪

এই দুবাই প্রাকৃতিকভাবে সৌন্দর্যপূর্ণ না হলেও আধুনিকতার দিক দিয়ে বিশ্বের অন্যতম কয়েকটি দেশের থেকে অনেক বেশি উন্নত। বেশিরভাগ মানুষ কর্মের উদ্দেশ্যে দুবাই ভিসা তৈরি করে থাকে। আবার অনেকে রয়েছেন ভ্রমণের জন্য দুবাই ভিসা তৈরি করে থাকে।

তবে সব থেকে বেশি দুবাই সরকার বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে থাকেন। অতএব যারা দুবাইয়ের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সহ বিভিন্ন কাজের ভিসা তৈরি করতে চাচ্ছেন। এবং সকল ভিসা গুলোর দাম কত টাকা হয় বিস্তারিত জানতে চাচ্ছেন। তারা অবশ্যই ভিসা অনুযায়ী এর দাম জেনে নিন।

  • দুবাই টুরিস্ট ভিসার দাম ন্যূনতম ৪ লাখ থেকে ৭ লাখ টাকা।
  • দুবাই কোম্পানি ভিসার দাম সরকারিভাবে ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা। এবং বেসরকারি ভাবে ৫ লক্ষ হতে ৮ লক্ষ টাকা।
  • কাজের ভিসার দাম অন্যতম ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা। বেসরকারিভাবে ৫ থেকে ৮  লক্ষ টাকা।
  • এমনকি দুবাই ফ্রি ভিসার দাম ন্যূনতম ৫ থেকে ৮ লক্ষ টাকা। তোর দালালেরা মাঝেমাঝে ৯ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে থাকে। যেটা প্রতারণা।
  • দুবাই ভিজিট ভিসা ৩ লাখ থেকে চার লক্ষ টাকা অথবা ৫ লক্ষ টাকা।
  • স্টুডেন্ট ভিসা আড়াই লক্ষ থেকে ৪ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ থেকে দুবাই যেতে কত টাকা লাগে

যদি সরকারিভাবে কোন ভিসার পেয়ে থাকেন এক্ষেত্রে ভিসার দাম সহ আপনার দুবাই পৌঁছানোর পর্যন্ত টাকা খরচ অনেক কম হবে। আর যদি নিজে নিজে দুবাই অবস্থিত কোন কোম্পানি অথবা দালালদের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে যেতে চান তাহলে এই খরচ আপনার দ্বিগুণ হতে পারে। তবে দুবাই যেতে হলে ও ভিসা পেতে চাইলে ন্যূনতম বয়স লাগবে ১৮ বছর এবং কাজের ভিসার জন্য ২১ বছর।

যেমন সরকারিভাবে বাংলাদেশ থেকে দুবাই যেতে হলে আপনার যাবতীয় খরচ হবে নূন্যতম ৩ লক্ষ টাকা এবং সর্বোচ্চ হতে পারে ৫ লক্ষ টাকা। যেটা সম্পূর্ণ ভিসার উপর নির্ভর করছে। আর যদি কোন এজেন্সি অথবা দালালের সাহায্য নিয়ে যেতে চান এক্ষেত্রে ন্যূনতম ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা। আর সর্বোচ্চ ৯ থেকে ১০ লক্ষ টাকা।

দুবাই কোম্পানি ভিসায় যেতে কত টাকা লাগে

দুবাই কোম্পানি ভিসার দাম সরকারিভাবে ৩ লক্ষ থেকে ৪ লক্ষ টাকা। এবং বেসরকারি ভাবে ৫ থেকে লাখ থেকে ৮ লাখ টাকা হতে পারে। আর দুবাই থেকে যদি কোন কোম্পানি শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে থাকেন তাহলে বাংলাদেশী নাগরিকেরা যে ভিসা পেয়ে থাকবেন তা হচ্ছে স্পন্সর ভিসা।

অর্থাৎ এটিকে আমরা কোম্পানি ভিসা বলতে পারি। কিছু কিছু কোম্পানি রয়েছে ভিসা তৈরি সহ বিমান ভাড়া পর্যন্ত ওই কোম্পানি দিয়ে থাকে। তবে এই সুযোগ খুব সংখ্যক নাগরিক পেয়ে থাকেন। তবে কোম্পানি ভিসায় নূন্যতম খরচ হবে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ হতে পারে ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা।

শেষ কথা

আশা করতেছি আপনারা আজকের এই আলোচনা থেকে দুবাই যেতে কত টাকা লাগে এবং দুবাই ভিসার দাম কত সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। বিস্তারিত ভাবে দুবাই ভিসা সহ যাবতীয় খরচ কত টাকা লাগে দুবাই যেতে তা নিয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করতেছি এই পোস্ট থেকে আপনারা অনেক বেশি উপকৃত হয়েছেন। ধন্যবাদ

Leave a Comment