ভোটার আইডি কাড সংশোধন করার নিয়ম

একটি দেশের ভোটার আইডি কার্ডএ কজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি। তাই ভোটার আইডি কার্ড আবেদন করার পর এবং কোনো তথ্য যদি ভুল আসে তাহলে সংশোধন করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। যদি সংশোধন না করে থাকেন তাহলে ভবিষ্যতের জন্য অনেকটা সমস্যায় পড়তে হয়। অর্থাৎ আপনার যদি জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা স্মার্ট কার্ডে কোন ভুল তথ্য এসে থাকে। তাহলে এই পোস্ট থেকে ভোটার আইডি কাড সংশোধন করার নিয়ম  প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখে নিন।

অনেকের ক্ষেত্রে এ জাতীয় পরিচয়পত্রের বিভিন্ন ধরনের ভুল দেখা দেয়। আর পরবর্তীতে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করা বাঞ্ছনীয় হয়ে পড়ে। তাই আপনারা যদি জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্যে কোন প্রকার ভুলে এসে থাকে তাহলে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। এই পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লেই কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা যায় তার নিয়ম বিস্তারিত জানতে পারবেন। অতঃপর ভোটার আইডি কাড সংশোধন করার নিয়ম এই পোস্ট থেকে বিস্তারিত দেখে নিন।

ভোটার আইডি কাড সংশোধন করার নিয়ম

আপনি নতুন ভোটার হয়েছেন, ভোটার আইডি চেক করার সময় দেখতে পেলেন আপনার নামের অক্ষর ভুল হয়েছে, অথবা আপনার ছবি একদম অস্পষ্ট দেখাচ্ছে। নতুবা আপনার সাক্ষরে কোন জায়গায় ভুল হয়েছে। তাহলে এই ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই নিজে নিজেই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন। তাই এরকম পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। যেহেতু আপনি এই পোস্টে এসে উপস্থিত হয়েছেন। তাহলে আপনি খুব সহজেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন।

শুধুমাত্র আপনাকে এই পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত পড়তে হবে। এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারবেন। অর্থাৎ ৭ থেকে ১৫ কার্য দিবসের মধ্যেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন। অতঃপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, এবং ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধনের কারণ উল্লেখ করে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন। অতএব এই পোস্ট থেকে ভোটার আইডি কাড সংশোধন করার নিয়ম খুব সহজে জেনে নিন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন

প্রত্যেক বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ বাংলাদেশের একজন নাগরিকের পরিচয় এ জাতীয় পরিচয় পত্র বহন করে এবং দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। তাই আপনার ব্যক্তিগত মূল তথ্যের থেকে যদি জাতীয় পরিচয় পত্র কোন তথ্য ভুল এসে থাকে তাহলে পরবর্তীতে আপনার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আর এই জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করা অনেক সহজ একটি পদ্ধতি। এই কাজ আপনি আপনার স্মার্টফোন দিয়েও করতে পারবেন। আর এজন্য শুধুমাত্র আপনাকে এর প্রক্রিয়া এবং পদ্ধতি সমূহ সম্পর্কে জানতে হবে। আর যে ব্যক্তি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে চাচ্ছেন তার জন্য এই ভোটার আইডি কাড সংশোধন করার নিয়ম জেনে রাখা আবশ্যক। তাই এই পোস্ট শেষ পর্যন্ত দেখার আমন্ত্রণ রইল।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আবেদন করার পূর্বে করণীয়

আপনার যতই পরিচয় পত্র সংশোধন করতে চাচ্ছেন অথচ বাতিল করার সঠিক কারণসমূহ উল্লেখ করতে পারছে না তাহলে আপনার সংশোধন আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। তাই আবেদন করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে কিনা তা চেক করুন এবং তার জোগাড় করুন।অর্থাৎ সহজ উত্তর হচ্ছে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের যে সমস্যা রয়েছে সে সমস্ত সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন। এবং সংশোধন করার সময় যাবতীয় কাগজ সমূহ সাবমিট করুন।

অর্থাৎ আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের সমস্যা বা কোন তথ্যটি ভুল রয়েছে তা নির্ধারণ করার পর যাবতীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেই অনলাইনে মাধ্যমে আবেদন করুন। তবে কিভাবে আবেদন করবেন এবং কিভাবে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করবেন তার বিস্তারিত তথ্য এখান থেকে জানতে পারবেন। অতঃপর আরেকটি নিচে প্রবেশ করুন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

জাতীয় পরিচয় পত্র বা এন আইডি কার্ড  সংশোধন করার নিয়ম হচ্ছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা। নতুবা সংশোধন ফ্রম 2 পূরণ করে আপনার উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া অথবা অনলাইনে সাবমিট করা। অথবা কিভাবে আপনি একাকি নিজের সম্পন্ন করবেন তার বিস্তারিত আলোচনা ধাপে ধাপে এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে এই প্রক্রিয়া আপনি খুব সহজেই পালন করতে পারেন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে

যখন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলেন তখন বিভিন্ন ডকুমেন্ট বা কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়েছিল। তবে জাতীয় পরিচয় পত্র বা এন আইডি কার্ড সংশোধন করার ক্ষেত্রে অন্য সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে। যারা জানেন না যে জাতীয় পরিচয়পত্র বা এন আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি কাগজপত্র সমূহ লাগে। অতঃপর যারা জানেন না তারা এখান থেকে জেনে নিন।

অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধনের আবেদন করার নিয়ম

উপরে ইতিমধ্যে বিস্তারিত অনেক আলোচনা করেছি। আপনাদেরকে এনআইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম জানিয়ে দিব। যাতে আপনি নিজে নিজেই এই জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারেন। তবে প্রক্রিয়া আপনি অনলাইনে করতে পারবেন অথবা অনলাইন থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে তা পূরণ করে উপজেলা পরিষদ অফিসে নিজে উপস্থিত থেকে সেই ফরম জমা দিয়ে আপনার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন। আর কথা না বাড়াই, চলুন সে ধাপগুলো অনুসরণ করা যাক।

ধাপ:১ অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন

সর্বপ্রথম যে কাজটি আপনাকে করতে হবে তা হচ্ছে বাংলাদেশ নির্বাচন অফিসের অফিসিয়াল(https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/claim-account) ওয়েবসাইটটির রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তবে এ রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ। এই নিয়ে আমরা আলোচনা সম্পন্ন করেছি। তবে একটি জাতীয় পরিচয় পত্র বা এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতেও এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। আবার জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের ক্ষেত্রেও এই (https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/claim-account) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সংশোধনের আবেদন করতে হয়। অতএব এই অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করুন। এবং নিচের দেওয়া ছবিটি লক্ষ্য করুন।

ভোটার আইডি তথ্য প্রদান

অতঃপর পূর্বে থাকে সাবমিট বাটন ক্লিক করার পর আপনার নিচের দেওয়া তথ্যগুলো খুব সাবধানতার সহিত ইনপুট করতে হবে। সেখানে আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং তাই ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। যেমন আপনার বিভাগ আপনি কোন জেলায় বসবাস করেন এবং আপনার উপজেলা কি তা সঠিক তথ্য দিয়ে নিচে দেওয়া পরবর্তী ধাপে ক্লিক করুন।

জাতীয় পরিচয় পত্রের ঠিকানা যাচাই

অতঃপর ঠিকানা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে উপরে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাই উপরের ধাপটি ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। কেননা ঠিকানা ভুল হলে আপনার জন্ম নিবন্ধন তথ্য দেখাবে না। এবং কোন তথ্য ভুল হয়েছে তা দেখতে পারবেন না। তাই ভালোভাবে আপনার ঠিকানা যাচাই করুন।

মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন

অতঃপর আপনার ভোটার আইডি কার্ডের আবেদনের সময় আপনি যে নাম্বার ব্যবহার করেছিলেন তার নাম্বার অটোমেটিক সেখানে দেখাবে। এছাড়াও আপনি নাম্বার পরিবর্তন করতে পারবেন। উদাহরণ হিসেবে নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন। একটি নাম্বার দেওয়া রয়েছে।এবং তার নিচেই Send SMS নামের একটি বাটন লাল বক্স আকারে চিহ্ন করে দেখানো হয়েছে। অতঃপর সেই সেন্ড এসএমএস বাটনে ক্লিক করুন।

এরপরের ধাপ হচ্ছে আপনার সে মোবাইল নাম্বারের ৬ ডিজিট এর কোড আসবে। অতঃপর সেই ৬ ডিজিটের নাম্বার গুলো নিচের দেওয়া লাল বক্স আকারের ফাঁকা স্থানে বসিয়ে দিন। অতঃপর কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করুন।

Face Verification

এরপর আপনাকে আপনার মোবাইল থেকে প্লে স্টোরে খুবই প্রবেশ করে এনআইডি ওয়ালেট নামের অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে। অ্যাপ ইন্সটল করার পর সেই মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে অর্থাৎ আপনার ব্রাউজ করার সাইটে কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। নিচের ছবিটা লক্ষ্য করুন।

এবং এরপরের ধাপগুলো আপনার মুখমন্ডল অর্থাৎ ফেস ভেরিফিকেশন করতে হবে। ফেস ভেরিফিকেশন শেষে আপনাকে সেই একাউন্টের পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে। অতঃপর আপনার রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট হয়ে গিয়েছে। এখন আপনাকে প্রধান কাজটি করতে হবে অর্থাৎ আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে হবে। অতঃপর নিচের ধাপগুলো একটি লক্ষ্য করুন।

ধাপ:২ ভোটার আইডি তথ্য সংশোধন

অতঃপর পরবর্তী ধাপগুলো হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের হোম থেকে প্রোফাইল টেব এ চলে যান। এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ৩টি প্রধান ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন,ঠিকানা পরিবর্তন/সংশোধন,অন্যান্য তথ্য সংশোধন

ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন

এরপর আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধন করার একটি পেজ আসবে। অতঃপর আপনার ব্যক্তিগত তথ্য পুনরায় সংশোধনের ক্ষেত্রে  আপনার নিজের নাম বাংলা অথবা ইংরেজিতে করবেন কিনা তা নির্ধারণ করতে হবে। অথবা প্রত্যেক ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য পরিবর্তন করার স্থলে কোন কোন আরো তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন তার একটি তথ্য নিচে উল্লেখ করা হলো।

  • ব্যক্তির নিজের নাম (বাংলা)
  • ব্যক্তির নিজের নাম (English)
  • জন্ম নিবন্ধন নাম্বার
  • জন্ম তারিখ পরিবর্তন
  • লিঙ্গ
  • পিতার ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার
  • মায়ের নাম সংশোধন (বাংলা)
  • মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার
  • জন্মস্থান
  • পিতার নাম সংশোধন (বাংলা)

অতঃপর আপনাকে এডিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। যেটা পূর্বে থাকে ছবি থেকে দেখতে পারবেন। এবং আপনি যদি ব্রাউজিং অবস্থা থাকেন তাহলেও আপনি এই অপশন দেখতে পাবেন। অতঃপর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর দেখতে পারবেন আপনার কোন তথ্য সংশোধন করতে হবে এবং তা দেখতে পারবেন। অতঃপর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

সংশোধনি তথ্য পুনঃযাচাই

আপনার জন্ম নিবন্ধনের সংশোধিত তথ্য অনুযায়ী বলতে অবশ্যই বুঝতে পারছেন। অর্থাৎ আপনার সকল তথ্য একটি সামারি আকারে দেখতে পারবেন। অথবা আপনার দেখার চলে আপনার সংশোধিত তথ্যগুলো পুনরায় যাচাই করতে পারছেন। পুনরায় পরবর্তী পাঠানো ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে চলে যান।

ধাপ:৩ ট্রানজেকশন / ফি প্রদান

এই ধাপে আপনাকে NID নাম্বার অনুযায়ী সংশোধন ফি পরিশোধ করতে হবে। এজন্য বিকাশ নগদ এবং রকেট একাউন্ট থেকে পে বিলে চলে যান। এবং নিচের দেওয়া ছবিটি লক্ষ্য করুন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফি জমা দেয়ার নিয়ম

এ প্রক্রিয়া একদম সহজ, আপনার যদি কোন বিকাশ একাউন্ট অথবা নগদ একাউন্ট থেকে থাকে অথবা কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে তাহলে আপনি নিজে নিজেই এই জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের দিতে পারবেন। তবে নিয়ম হচ্ছে আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে। অতঃপর উপরের ধাপে সংশোধন ফি জমা দেওয়ার নিয়ম দেখে নিন।

বিকাশে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফি পরিশোধ

যদি বিকাশের মাধ্যমে আপনি জাতীয় পরিচয় পত্রের সংশোধন ফি পরিশোধ করতে চান তাহলে নিচের প্রক্রিয়াটি লক্ষ্য করুন। এখানে সর্বপ্রথম আপনাকে বিকাশ একাউন্টের পে বিল অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এরপর এনআইডি সার্ভিস নামের একটি অপশন দেখতে পারবেন। অথবা সেখানে এনআইডি সার্ভিস অপশনটি ক্লিক করুন। এবং পরবর্তী ধাপে এনআইডি কার্ড অপশনটি সিলেক্ট করুন। যেটা নিচের ছবিটিতে সহজ ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথবা সেখানে আপনার এনআইডি কার্ডের নম্বর প্রদান করতে বলা হবে। অতঃপর আপনার এন আইডি কার্ডের ১৭ ডিজিটের নাম্বার বসিয়ে দিন।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড

তবে এ ধাপটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে প্রয়োজনীয় তথ্য সেখানে আপডেট করতে হবে। আপনি খুব অল্প দিনের মধ্যে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করে নিতে পারেন। যদি ব্যক্তিগত তথ্য সংশোধনের জন্য সবথেকে কার্যকর প্রমান হলো শিক্ষাগত যোজ্ঞতার সনদ, পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স। তার পাশাপাশি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ আপলোড করতে হবে।

আর যদি পিতা মাতার কোন তথ্য ভুল হয় তাহলে আপনারা সেই কপি স্ক্যান করে সে তথ্য কে পুনরায় আপলোড করতে হবে।

সংশোধিত আইডি কার্ড ডাউনলোড

অতঃপর সংশোধিত আইডি কার্ড ও তিন সপ্তাহের মধ্যে সংগ্রহ করা যায়। তবে এই ধাপে  আপনি খুব সহজেই আপনার সংশোধিত আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন। এবং সেটি প্রিন্ট করে লিমিটিং করে ব্যবহার করতে পারবেন হুবহু আসল জাতীয় আইডি কার্ডের মত।

ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন

যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান তাহলে এক্ষেত্রে আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না। এজন্য আপনাকে আপনার এলাকার স্থানান্তর ফরম পূরণ করে নির্বাচন অফিসের মধ্যে দিতে হবে। এই ঠিকানা পরিবর্তন ফরম কে ১৩ নং ফরম বলা হয়।

যদি ভোটার ঠিকানা পরিবর্তন হওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক প্রমাণ থাকে তাহলে খুব সহজেই আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন। উল্লেখিত আগের ঠিকানায় কত দিন বসবাস করছেন এবং বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করতে যাচ্ছেন তার কারণ আবেদন ফরমে দেখিয়ে উল্লেখ করতে হয়।

ভোটার এলাকা পরিবর্তন ফরম pdf

উপরে ধাপে আর জাতীয় পরিচয় পত্রের ঠিকানা পরিবর্তনের ব্যাখ্যা আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ কিভাবে ভোটার এলাকার পরিবর্তন করা যায় সেটি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে যে ফর্ম পূরণ করে আপনাকে ভোটার এলাকার ঠিকানা পরিবর্তন করার আবেদন করতে হয়। সে ভোটার এলাকা পরিবর্তন ফরম পিডিএফ ফাইল নিচে উল্লেখ করেছি আপনাদের জন্য। পিডিএফ ফাইলটি হচ্ছে(file:///D:/CHROME%20DOWNDLOAD/migration_form13.pdf) অতঃপর পিডিএফ ফাইলটা ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে সমস্ত তথ্য পূরণ করে আপনার নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদে জমা দিন।

ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন

যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ আলাদাভাবে সংশোধন করতে চান। তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনাকে সেই পূর্বের মতো করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে লগইন করতে হবে। এবং আপনার প্রোফাইল থেকে ব্যক্তিগত তথ্য অপশন থেকে এডিট বাটনে ক্লিক করে জন্ম তারিখের ঘরে টিক চিহ্ন দিন এবং সঠিক জন্ম তারিখ লিখুন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে নতুন করে পুনরায় আবেদন জমা দেওয়ার পূর্বে ২৩০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে। তবে জামা তারিখ সংশোধন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার স্কুল কলেজের সার্টিফিকেটের তারিখ অনুযায়ী বসিয়ে দিন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে

আপনার যদি ব্যক্তিগত কোন তথ্য সংশোধন করতে চান তাহলে ২৩০ টাকা ফি দিতে হয়। এবং সাধারণ ও অন্যান্য তথ্য সংশোধন করতে ১১৫ টাকা ফি দিতে হয়। তবে ব্যক্তিগত ও অন্যান্য – উভয় তথ্য সংশোধন করতে ৩৪৫ টাকা ফি দিতে হয়। ভোটার আইডি কার্ড আর্জেন্ট (Urgent) রিইস্যু ফি ৩৪৫ টাকা। ভোটার আইডি কার্ড সাধারণ (Regular) রিইস্যু ফি ৩৪৫ টাকা।

জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে কত দিন লাগে

যদি আপনার সংশোধিত তথ্য সঠিকভাবে আপলোড করতে পারেন। এবং উপযুক্ত প্রমাণ পেশ করতে পারেন তাহলেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র খুব অল্প দিনের মধ্যে সংশোধন করতে পারবেন। অর্থাৎ সর্বনিম্ন ১০ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই আপনার সংশোধিত ভোটার আইডি কার্ড পেয়ে যাবেন। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সর্বোচ্চ ৬০ দিন সময় লাগে।

শেষ কথা

আশা করতেছি আপনারা এই পোস্ট থেকে অনেক বেশি উপকৃত হয়েছেন। এবং সঠিকভাবে আপনাদের জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে পেরেছেন। আর খুব সহজেই আমরা এখানে এই প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে উল্লেখ করেছি। তাই যে কেউ চাইলে এই প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে অবলম্বন করতে পারবেন। অতঃপর আপনি যদি ভোটার আইডি কাড সংশোধন করার নিয়ম  জেনে নেওয়ার পর উপকৃত হয়ে থাকেন। তাহলে অবশ্যই আপনার আশেপাশের ব্যক্তিদেরকে এই পোস্ট শেয়ার করে জানিয়ে দিবেন। ধন্যবাদ

Leave a Comment