জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার নিয়ম ২০২৪

বাংলাদেশের নাগরিক হতে গেলে সবাই কে জাতীয় পরিচয় পত্র করা দরকার। কারণ জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া আপনি কোন কিছুই করতে পারবেন না। প্রয়োজনের জন্য কিছু করতে চাইলে প্রথমে আপনাকে জাতীয় পরিচয় পত্র দরকার পড়বে। আমরা যখন জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন অফিসে যাই তখন আমাদের অনেক সময় ভুল জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরি করে দেয়। জাতীয় পরিচয় পত্র ভুল হলে অনেক সমস্যা হয়ে যায়। সবাই তখন জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চায়। 

এখন আপনাদেরকে এই পোস্টের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার নিয়ম জানাবো এবং কিভাবে অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন করবেন সেই তথ্য এবং ছবিসহ জানাবো, ও সংশোধন ফরম কিভাবে পূরণ করতে হয়, ভোটার আইডি কার্ডের নাম পরিবর্তন, জন্ম সাল পরিবর্তন, বাবা মার নাম পরিবর্তন এবং ভোটার আইডি কার্ডের বিভিন্ন তথ্য পরিবর্তন করবেন কিভাবে সে সম্পর্কে আলোচনা করবো। জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে চাইলে আমাদের পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার নিয়ম

আপনি যদি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে চান তাহলে অবশ্যই নির্বাচনী কমিশন অফিসের কিছু নিয়ম মানতে হবে। সেই নিয়ম অনুযায়ী আপনি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারবেন। প্রথমে আপনাকে অনলাইনে প্রবেশ করে (Nid services) লিখে সার্চ করলে আপনি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন তাদের ওয়েবসাইটের নাম হলো (services.nidw.gov.bd) এই সাইটে ঢুকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারবেন। 

আপনাকে সঠিকভাবে সে তথ্যগুলো প্রমাণ দেখিয়ে স্ক্যান কপি করে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপলোড করতে হবে। তাহলে আপনি ৩০ দিনের মধ্যে আপনার সাধনের তত্তগুলো আপডেট করে আপনার মোবাইল নাম্বারের মধ্যে মেসেজ পাঠিয়ে তারা জানিয়ে দিবে। তখন আপনি নতুন করে অনলাইনে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করলেই আপনি সঠিক এনআইডি কার্ড পেয়ে যাবেন। ডাউনলোড করা এবং আরো বিভিন্ন তথ্য জানতে চাইলে এবং কিভাবে বিকাশে পেমেন্ট করে আইডি কার্ড সংশোধন করতে হয় সে সম্পর্কে নিচের দেওয়া লেখাগুলো পড়ে জেনে নিন।

অনলাইনে এনআইডি কার্ড সংশোধন

বর্তমান সময়ে এনআইডি কার্ড কোন তথ্য ভুল হলে সংশোধন করতে গেলে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। আপনি চেষ্টা করলেও দ্রুত কোন সময় এনআইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন। এন আইডি কার্ড সংশোধন করতে আপনাকে অনেক জায়গায় ঘোরাফেরা করতে হবে তারপরেও সংশোধন সঠিকভাবে করা যায় না। এখন আপনাদেরকে অনলাইনের মাধ্যমে নিজেই এনআইডি কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এবং কিছুদিনের মধ্যেই সঠিক এনআইডি কার্ড সংশোধনীয় কার্ড পেয়ে যাবেন। প্রথমে আপনাকে অনলাইনে ডাটা কানেকশন অন করে প্রবেশ করতে হবে। আপনি প্রথমে (http//:services.nidw.gov.bd)  এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেই ধাপে ধাপে আপনাকে সংশোধন করতে হবে। তাহলে জেনে নিন সংশোধন করার ধাপগুলোঃ

ধাপ-১ একাউন্ট রেজিষ্টার

ওয়েব সাইটের একাউন্ট রেজিস্টার করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনি মোবাইলের ডাটা কানেকশন অন করে গুগলে সার্চ করে nidw.gov.bd করে এই সাইটে প্রবেশ করতে হবে। এবং আপনাকে অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার অপশন এ ক্লিক করে আপনার আইডি কার্ড নাম্বার, এবং জন্ম তারিখ, তাদের গোপন ক্যাপচা পূরণ করতে হবে। এবং শেষে এনআইডি ওয়ালেট প্লে স্টোরে থেকে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। তাহলে আপনার এনআইডি কার্ডের সমস্ত তথ্য পেয়ে যাবেন। আপনাদেরকে অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করার ছবিসহ জানিয়ে দিয়েছি।

ধাপ-২ প্রোফাইল ভিজিট করুন

এরপর আপনাকে প্রোফাইল ভিজিট করতে হবে। আপনার প্রোফাইলে কি কি তথ্য রয়েছে সে তথ্যগুলো সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এবং প্রোফাইলের আলাদা আলাদা কিছু ক্যাটাগরি রয়েছে সেগুলো আপনার যদি মনে না থাকে তাহলে প্রোফাইলে ঢুকে আপনার তথ্যগুলো দেখতে পারবেন।

ধাপ-৩ কাঙ্খিত তথ্য সংশোধন করুন

তৃতীয় ধাপে আপনি কি সংশোধন করতে চাচ্ছেন সে সংশোধনের প্রমাণসহ আপনাকে খালি ঘরগুলো পূরণ করতে হবে। প্রথমে আপনি ৫টি ক্যাটাগরি পাবেন এক নাম্বার ক্যাটাগরিতে আপনি এডিট তথ্য করতে পারবেন। আমরা আপনাকে ধাপে ধাপে সেই তথ্য গুলো দিয়েছি। আপনার সবকিছু ঠিক থাকলে আপনি ও সাবমিট বাটনে ক্লিক করবেন। সংশোধনের সময় সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।

ধাপ-৪ সংশোধিত তথ্য নিশ্চিত করুন

এভাবে আপনাকে দেখানো হবে আপনি কি কি পরিবর্তন করছেন সেগুলোর সঠিক তথ্য আপনার সামনে আসবে। কি বলছিল এবং কি সঠিক করে দিয়েছেন আপনি সে তথ্য পরিবর্তন অপশনে দেখতে পারবেন।

ধাপ-৫ বিকাশের মাধ্যমে সংশোধন ফি পরিশোধ করুন

আপনি একটি করে তথ্য পূরণ করবেন এবং পরবর্তী ধাপে আপনি চলে আসবেন। পরবর্তী ধাপে আপনাকে বিকাশের মাধ্যমে সরকারি ফি পরিশোধ করতে হবে। আপনি যে সংশোধন করবেন সংশোধন অনুযায়ী নির্দিষ্ট একটি ফি অ্যামাউন্ট লেখা থাকবে সে এমাউন্ট অনুযায়ী আপনার বিকাশের ফি বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে মোবাইল থেকে পরিশোধ করতে পারবেন। অনেক সময় আপনার পরিবর্তন অনুযায়ী টাকা কম বেশি হতে পারে।

ধাপ-৬ প্রয়োজনীয় কগজপত্র আপলোড করুন

এখন আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ দেখাতে হবে। আপনি এ সংশোধনের সরকারি ফি পরিশোধ করার পর পরবর্তী ধাপে আপনাকে আপনি যে বিষয়গুলো পরিবর্তন করেছেন সে বিষয়ের সঠিক প্রমাণের কাগজপত্র স্ক্যান করে জমা দিতে হবে। আপনার কাগজপত্র দেখে যেন তারা বুঝতে পারে যে আপনি সঠিক ভাবে কাগজপত্র দিয়েছেন এবং কিছুদিনের মধ্যেই আপনার তথ্যটি সংশোধন করলে আপনি নতুন করে অনলাইন থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। অর্থাৎ অবশ্যই আপনাকে কাগজপত্র গুলো স্ক্যান কপি করে আপলোড করতে হবে।

ধাপ-৭ আবেদন নিশ্চিত করুন

সর্বশেষ হলো আপনাকে আবেদন নিশ্চিত করতে হবে। আপনি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যে তথ্য গুলো সংশোধন করেছেন এবং সরকারি ফি অনুযায়ী বিকাশের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়েছেন সকল তথ্যগুলো আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে আপনার এনআইডি কার্ড সংশোধন এর কাজ সঠিকভাবে সম্পূর্ণ হবে।

আপনারা এই পোষ্টের নিয়ম ও ছবি গুলো দেখেই অনলাইনের মাধ্যমে এনআইডি কার্ড অনলাইনের মাধ্যমে নিজেই সংশোধন করতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফরম ১

আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে ফরম ১ পূরণ করে ইউনিয়ন অফিসের মাধ্যমে সংশোধন করতে হবে। অথবা আপনি এই ফর্মে এক অনলাইনের মাধ্যমে ডাউনলোড করে পূরণ করতে পারবেন এবং কি অনলাইনে ফরমগুলো পূরণ করা যায়। আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র যদি কোন জায়গায় ভুল থাকে তাহলে সংশোধন করতে এই ফরম ১ পূরণ করার সময় যেগুলো সংশোধন করবেন সেই তথ্যগুলো এবং প্রমাণপত্রের কাগজপত্র গুলো আপনাকে দেখাতে হবে। আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে নিচে ফার্মের ছবি সহ দেওয়া হয়েছে। এই ফরম পূরণ করেই আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন চেক করার নিয়ম

আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার পর সঠিকভাবে সংশোধন হয়েছে কিনা সেই তথ্য যদি চেক করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে অনলাইনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন চেক করতে হবে। চেক করার জন্য প্রথমে আপনাকে গুগোল ক্রমে এনআইডি কার্ড চেক লিখে সার্চ করলেই আপনি তাদের এ ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন। সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার জন্ম তারিখ ক্যাপচা পূরণ মোবাইল নাম্বার এগুলো দিলে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন চেক করতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ফরম ডাউনলোড

অনেকেই জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে চায়। কিন্তু কোন সাইটের মাধ্যমে সঠিক ফরম ডাউনলোড করতে পারবে সেই তথ্য জানেনা। প্রথমে আপনাকে গুগল ক্রোমে গিয়ে যাতে পরিচয় পত্র ও সংশোধন ফর্ম ডাউনলোড লিখে সার্চ করলেই আপনি বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন এর নিজস্ব ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন। তারপর সেখান থেকে আপনি সংশোধন করার ফরম ডাউনলোড করতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের বিশেষ সুযোগ

আপনার যদি আর্জেন্ট জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের দরকার পড়ে তাহলে আপনি বিশেষ একটি সুযোগে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের জন্য আপনাকে সঠিক কাগজপত্র উপজেলা অফিসে গিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন একদিনের মধ্যেই করতে পারবেন। আপনি যদি সংশোধনের সঠিক প্রমাণ দেখাতে পারেন তাহলে আপনি বিশেষ সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী একদিনে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কত টাকা লাগে

আপনি যদি আইডি কার্ড সংশোধন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সংশোধন ফি জমা দিতে হবে। সংশোধনের ধরন অনুযায়ী ফি কম বেশি হয়ে থাকে। আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য কয়েকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। নিচে আপনাদেরকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী সরকারিভাবে কত টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে সে সম্পর্কে জানিয়েছি।

সংশোধনের বিবারণসংশোধন ফি 
ব্যাক্তিগত তথ্য সংশোধন ২৩০ টাকা।
অন্যান্য তথ্য সংশোধন১১৫ টাকা।
আইডি কার্ড রিইস্যু২৩০ টাকা।
উভয় তথ্য সংশোধন৩৭৫ টাকা। 
আইডি কার্ড রিইস্যু ( আর্জেন্ট) ৩৭৫ টাকা। 

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে কতদিন সময় লাগে

আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করে থাকেন তাহলে সংশোধন করার পর অবশ্যই ভাবেন যে কতদিন পরে আমি সঠিক জাতীয় পরিচয় পত্র পাবো। অনেক সময় আপনি সংশোধন ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পর ২০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যেই আপনার ডকুমেন্টস নির্বাচন কমিশন অফিসে কার্যকরী হয়ে যায়। আবার হঠাৎ করেই কোন সমস্যার কারণে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন হতে প্রায় ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মতো সময় লাগে। সর্বোচ্চ আপনার ৬০ দিন এর মধ্যে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন কমপ্লিট হয়ে যাবে।

কিভাবে এনআইডি কার্ড রক্তের গ্রুপ যুক্ত ও পরিবর্তন করা যায়

আপনি যদি এনআইডি কার্ডের রক্তের গ্রুপ পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনি আমাদের এই নিয়ম পড়ে এনআইডি কার্ডে রক্তের গ্রুপ পরিবর্তন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনার হাসপাতালের রক্তের গ্রুপ টেস্টের সনদপত্র লাগবে। আপনাকে স্ক্যান কপি করে পরিবর্তনের সময় আপলোড করলে অবশ্যই আপনার কিছুদিনের মধ্যেই রক্তের গ্রুপ পরিবর্তন হয়ে যাবে।

স্মার্ট কার্ড কিভাবে সংশোধন করা যায়

বর্তমান সময়ে আমাদের অনেকেরই নতুন করে স্মার্ট কার্ড বের হয়েছে। কিন্তু কিছু সময় স্মার্ট কার্ডে আমাদের তথ্য ভুল থাকে। তখন আমাদের স্মার্ট কার্ড কিভাবে সংশোধন করতে হয় সেই তথ্য জানার দরকার পড়ে। আপনি যদি স্মার্ট কার্ড সংশোধন করতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে নির্বাচন কমিশন অফিসের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েব সাইটের নাম হলো (services.nidw.gov.bd) এই লিংকে প্রবেশ করে আপনি আপনার স্মার্ট কার্ড সংশোধন করতে পারবেন। আপনাকে সংশোধনের সময় সঠিক প্রমাণপত্র স্ক্যান কপি করে আপলোড করতে হবে।

আইডি কার্ডের বয়স বাড়াবেন কি করে

অনেক সময় আমাদের চাকরির অথবা কোন প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইডি কার্ডের বয়স বাড়ানো এবং কমানোর প্রয়োজন পড়ে। আপনি যদি নিজের ইচ্ছামতো বয়স বাড়াতে চান এবং কমাতে চান তাহলে কখনোই পারবেন না। কারণ নিজের ইচ্ছামত কখনোই আইডি কার্ডের বয়স বাড়ানো অথবা কমানো যায় না। আপনি যদি বয়স বাড়াতে চান তাহলে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন অফিসে ওয়েব সাইটে ঢুকে আইডি কার্ড বয়স বাড়াতে হলে আপনার বয়সের সঠিক প্রমাণ পত্র আপলোড করতে হবে। তাহলে আপনার আইডি কার্ডের বয়স বাড়ানোর আবেদন কার্যকারিতা হবে।

স্মার্ট কার্ড সংশোধন ফি কত টাকা

ইতিমধ্যেই আমরা আইডি কার্ডের সংশোধন ফি কত খরচ হবে জানিয়ে দিয়েছে। অনেকেরই যাদের স্মার্ট কার্ড রয়েছে তাদের স্মার্ট কার্ডে কোন ভুল থাকলে তখন তারা সংশোধন করতে চায়। আর স্মার্ট কার্ড সংশোধন করতে হলে আপনাকে সরকারি খাতে ফি জমা দিতে হবে। আপনি যদি স্মার্ট কার্ড সংশোধন করতে চান তাহলে আপনার ফি পরিশোধ করতে হবে ২৩০ টাকা থেকে ৩৪৫ টাকা।

মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করবো কি করে

আমরা ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করার সময় একটি সচল মোবাইল নাম্বার দিয়ে থাকি। কিন্তু কোন এক কারণে আবার হঠাৎ করে সিম হারিয়ে যায় অথবা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে আমাদের সিম নাম্বারটির সচল থাকে না। তখন আমাদের ওই মোবাইল নাম্বারটি পরিবর্তন করার প্রয়োজন পড়ে। আপনি যদি মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করতেন চান তাহলে আইডি ওয়েবসাইট থেকে ভোটার আইডি কার্ড রেজিস্ট্রেশন করার সময় নতুন নাম্বার যোগ করার অপশন থাকে। সেখানে থেকে আপনার মোবাইল নাম্বারটি পরিবর্তন করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে

আপনি যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে সে সমস্ত তথ্য জানতে চান তাহলে এই পোস্টে আপনার জন্য। বর্তমানে অনেক মানুষের ভোটার আইডি কার্ড ভুল তথ্য থাকার কারণে সংশোধন করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু সংশোধন করতে গেলে কি কি লাগে সে সম্পর্কে কোন তথ্য জানেনা। আপনার যে বিষয় ভোটার আইডি কার্ডে পরিবর্তন করার প্রয়োজন পড়বে সে বিষয়ে উপযুক্ত প্রমাণ হিসাবে কাগজপত্র আপলোড করা লাগবে। সেই ডকুমেন্ট আপনি স্ক্যান কপি করে সংশোধনের ফর্মে আপলোড করলে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন হবে। নিচে আপনারা ভোটার আইডি কার্ডের বিভিন্ন তথ্য সংশোধন সম্পর্কে আরো জানতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়

কিছু মানুষের প্রশ্ন থাকে ভোটার আইডি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়। অনেকেরই একবার সংশোধন করার পর আবার সংশোধন করা যাবে কিনা সে তথ্য জানার দরকার পড়ে। কিছু মানুষের একাধিকবার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার প্রয়োজন হয়। সরকারি থেকে এরকম কোন লিমিট দেয় নাই। আপনার যতবার ইচ্ছা ততবার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথম বার অথবা দ্বিতীয়বার প্রতি ধাপে ধাপে সরকারি ফি বেশি টাকা প্রদান করতে হবে। প্রথমবার ২৩০ টাকা হলে দ্বিতীয়বার ৩৪৫ টাকা তৃতীয়বার ৪৬০ টাকা।

পিতামাতার নাম সংশোধন করতে কি লাগে

অনেক সময় আমাদের ভোটার আইডি কার্ডে পিতা মাতার নাম ভুল থাকে। চাকরির ক্ষেত্রে গেলে তখন পিতা মাতার এনআইডি কার্ডের নামের সাথে নিজের ভোটার আইডি কার্ডের পিতা মাতার নামের সাথে মিল থাকে না। আপনি যদি পিতা মাতার নাম সংশোধন করতে চান তাহলে আপনি এই পোস্টের দেওয়া ভোটার আইডি কার্ডের নিয়ম অনুসরণ করে একইভাবে নতুন করে পিতা-মাতার নাম সংশোধন করে আপনাকে ডকুমেন্টস হিসেবে পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি এবং আপনার ভাই বোনের কোন স্কুলের সনদপত্র প্রমাণপত্র হিসেবে জমা দিলেই আপনার পিতা মাতার নাম সংশোধন হয়ে যাবে।

ভোটার আইডি কার্ড জন্ম তারিখ সংশোধন

আপনার যদি ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ ভুল হয়ে থাকে তাহলে আপনি আমাদের এলাকাটির মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ সংশোধন করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে আগের নিয়মে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের নির্বাচন কমিশন অফিসে এর নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে তারপর সংশোধনের ফি এবং আপনার জন্ম তারিখ সঠিকটা প্রদান করে জন্মতারিখের কিছু প্রমাণ পত্র জমা দিতে হবে। আপনার সঠিক জন্ম নিবন্ধনের স্ক্যান কপি অথবা স্কুলের রেজিস্ট্রেশন কার্ডের স্ক্যান কপি এগুলো জমা দিলেই আপনার সঠিক ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ সংশোধন করতে পারবেন।

শেষ কথা

অনেকেরই ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। উপজেলা অফিসে সংশোধন করার জন্য ঘুরতে হয় অনেক। তারপরে অনেক মানুষ আছে তারা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারে না। আজকে আমরা এই পোষ্টের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করার নিয়ম সম্পর্কে জানিয়েছি। আশা করি আপনি আমাদের সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়েছেন এবং জাতীয় পত্র সংশোধন করার নিয়ম ও ছবি দেখে শিখতে পেরেছেন। আপনি আমাদের এই পোষ্টের মাধ্যমে ঘরে বসে নিজেই মোবাইলের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করতে পারবেন। ধন্যবাদ

আরও দেখুনঃ

মোবাইল নাম্বার দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র বের করার নিয়ম

Leave a Comment